• ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bali

রাজ্য

রেললাইনের পাশে মাঠে পড়ে যুবকের দেহ, রহস্য ঘিরে বিরাট চাঞ্চল্য

রঘুনাথগঞ্জের গদাইপুর এলাকায় রেললাইনের ধারের একটি মাঠ থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ওই এলাকায় যুবকের দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃতের নাম ছোটু রবিদাস (২৯)। তাঁর বাড়ি রঘুনাথগঞ্জের বালিঘাটা এলাকায়।স্থানীয়দের নজরে বিষয়টি আসার পর দ্রুত খবর ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে বহু মানুষ জড়ো হন। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।তবে রেললাইনের ধারের ওই মাঠে ছোটু রবিদাস কীভাবে পৌঁছলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়েও তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন। যুবকের মৃত্যু স্বাভাবিকভাবে হয়েছে, নাকি ঘটনার পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি।ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে। মৃত যুবকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলছেন তদন্তকারীরা। ছোটু রবিদাস কখন বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন এবং কীভাবে ওই এলাকায় পৌঁছেছিলেন, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।পুলিশের তরফে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে, রেললাইনের ধারের মাঠে যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই গদাইপুর এবং আশপাশের এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ২৯ বছরের যুবকের মৃত্যুর নেপথ্যে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা জানতে তদন্তের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আগস্ট ২১, ২০২৬
উৎসব

বর্ধমানের দূর্ল্লভা কালী একই অঙ্গে কালী, দুর্গা, চণ্ডী ও বিপত্তারিণী রূপে পূজিত

কালী, দুর্গা, চণ্ডী অথবা বিপত্তারিণী। বছরভর বিভিন্ন মরসুমে সব দেবীরই পুজো হয় এক মূর্তিতে। এমন ভাবেই তিন শতকেরও বেশি সময় ধরে বর্ধমান শহর লাগোয়া লাকুড্ডি এলাকায় দুর্লভা কালীর পুজো চলছে। মন্দিরে গিয়ে দেখা গেল, কালীপুজোর আগে এখন সেখানে সাজোসাজো রব।লোকশ্রুতি থেকে জানা যায়, বর্ধমানের মহারাজার আনুকুল্যেই দেবী মন্দিরের প্রতিষ্ঠা হয়। একদা গোকুলানন্দ ব্রহ্মচারী নামে এক পরিব্রাজক সন্যাসী ঘুরতে ঘুরতে জঙ্গলে পরিপূর্ণ লাকুড্ডিতে হাজির হন। শুরু করেন দেবী আরাধনা। একদিন গোকুলানন্দ মন্দিরের পাশে পুকুরে স্নান করতে গিয়ে তার পায়ে একটি পাথর ঠেকে। তখন তিনি ওই পাথর টিকে তুলে নিয়ে আসেন। এর পর মা কালী সন্যাসী গোকুলানন্দকে স্বম্নাদেশ দেয় তাঁকে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করতে তারপর সন্ন্যাসী গোকুলানন্দ বর্ধমানে লাকুড্ডিতে তাল পাতার ছাউনী দিয়ে মন্দির তৈরি করে পাথরটিকে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করেন। জড়ো হন ভক্তেরাও। কথিত রয়েছে, গোকুলানন্দের সাধনা ও বিভিন্ন দৈব শক্তির খবর যায় বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চাঁদ মহতাবের দরবারেও। একদিন মহারাজ বিজয়চাঁদ ঘুরতে ঘুরতে সন্যাসী গোকুলানন্দ কাছে পৌছান। তখন সন্যাসী গোকুলানন্দ মহারাজ বিজয়চাঁদকে অমাবস্যার দিন যোগবলে পূর্ণচন্দ্র দেখিয়েছিলেন। এরপর বিজয়চাঁদ মুগ্ধ হয়ে প্রায় দশ বিঘে জায়গার উপর একটি দালান মন্দির তৈরি করে দেন। পাশেই তৈরি করা হয় বেশ কয়েকটি শিব মন্দিরও। এ ভাবেই ধীরে ধীরে দেবী দূর্লভার প্রসিদ্ধি ছড়িয়ে পড়ে সংলগ্ন এলাকায়।তবে দেবীর নাম দুর্লভা হওয়া নিয়েও একটি গল্প প্রচলিত আছে।বর্তমানে মন্দিরের পুরহিত মঙ্গলা ভট্টাচার্য জানান,.গোকুলানন্দ স্বামী মারা যাওয়ার পরে দুর্লভ ভট্টাচার্য নামে একজনকে পুরোহিত হিসেবে নিয়োগ করেন রাজা বিজয়চাঁদ। রাজ অনুগ্রহে মন্দির ও সম্পত্তিরও অধিকারী হন তিনি। এই দুর্লভ ভট্টাচার্যের নামেই দেবী এখানে ছুর্লভা নামে পরিচিত।ভষ্টাচার্য পরিবারের সূত্রে জানা গেল, দেবী এখানে শ্বেত পাথরের মুর্তিতে পুজীতা হন। তবে দেবীর মূর্তিটি প্রথমে মাটির ছিল। পরে তা অষ্টধাতুতে তৈরি করা হয়। তবে সেই মুর্তি চুরি যায়। তারপর মহারাজা বিজয়চাঁদের নির্দেশে দেবী বেলকাঠের মূর্তিতে পুজিতা হতেন। কিন্তু সময়ের ফেরে ওই বেলকাঠেও ঘুন ধরে। তারপর খানেকের মধ্যে তাতেও ফাটল ধরে। ছুবছর আগে রাজস্থান থেকে সাড়ে চার ফুট উচ্চতার শ্বেত পাথরের মূর্তিটি আনা হয় বলে জানান মন্দিরের বর্তমান পুরোহিত মঙ্গল ভ্টাচার্য। দুর্গাপুজোর সময় এখানে চারদিন ধরে পুজো হয়। তবে কালীপুজোর সময়মতো রাতভর পুজো হয়। প্রতিদিন নিত্যপুজোর সময় অন্নভোগ দেওয়া হয় এবং ওই দিন মন্দিরের ভিতরে ভক্তদের বসিয়ে খিঁচুড়ি প্রসাদ খাওয়ানো হয়। একসময় দেবী দুর্লভা কালী ডাকাত কালী নামেও পরিচিতি ছিল।

অক্টোবর ২১, ২০২২
রাজনীতি

আসানসোলে সবুজ ঝড়ে উড়ল গেরুয়া শিবির, বালিগঞ্জে জয়েও আতঙ্কে তৃণমূল

রাজ্য়ের দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনেই জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আসানসোলে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে পরপর দুবারে জয় পাওয়া বিজেপিকে। প্রায় ২ লক্ষের ওপর ভোটের ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালকে পরাজিত করেছেন তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা। অন্যদিকে বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় জয় পেয়েছেন ২০ হাজারের ওপর ভোটের ব্যবধানে। এখানে এবার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিম। কিন্তু এই কেন্দ্রে যে ভাবে তৃণমূলের ভোট কমেছে তাতে ঘাসফুল নেতৃত্বের যথেষ্ট আতঙ্কের কারণ রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে ২০১৪ ও ২০১৯-এ জয় পেয়েছিল বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় প্রায় ১,৯৭,৬৩৭ ভোটের ব্যবধানে তৃণমূল প্রার্থী মুনমুন সেনকে পরাজিত করেছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেস গঠন হওয়ার পর আসানসোল কেন্দ্রে জয় পায়নি। এই প্রথম সেখানে জয় পেয়েছে তৃণমূল। শত্রুঘ্ন সিনহা ভোট পেয়েছেন ৬,৪৬,৬৬১ ভোট পেয়েছেন শত্রুঘ্ন। প্রায় ৫৬ শতাংশ ভোট। অগ্নিমিত্রা পাল ভোট পেয়েছেন ৩,৫০,০১৫। শতাংশের হিসাবে ৩০%। বিজেপির প্রায় ২২ শতাংশ ভোট কমেছে গতবাবের তুলনায়।এদিকে বালিগঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপিকে সরিয়ে দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছে সিপিএম। এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় ২০হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিমকে। বাবুল পেয়েছেন ৫০,৯৯৬ ভোট। সায়রার প্রাপ্ত ভোট ৩০,৯৪০ ভোট। বিজেপি গতবারে তুলনায় ৭ শতাংশ কম ভোট পেয়েছে। বিজেপি প্রার্থী কেয়া ঘোষ পেয়েছেন ১৩,১৭৪ ভোট। তবে এই কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোট প্রাপ্তি কমেছে তৃণমূলের। রাজনৈতিক মহলের মতে, গতবারের থেকে প্রায় ২০ শতাংশ ভোট কমায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ঘাসফুল শিবিরের।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

হাসপাতালে ভর্তি বর্ষীয়ান অভিনেতা অরুণ বালি

বর্ষীয়ান অভিনেতা অরুণ বালি স্নায়ু-পেশির এক জটিল এবং বিরল অসুখ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। হে রাম, এয়ারলিফ্ট, থ্রি ইডিয়েটস, কেদারনাথ, পানিপথ-এর মতো ছবিতে অভিনয় করা ৮০ বছরের এই অভিনেতাকে মুম্বইয়ের হিরানন্দানি হাসপাতালে রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, মাইয়াসথেনিয়া গ্রাভিস নামে এক অসুখে আক্রান্ত তিনি। এই অসুখে স্নায়ু এবং পেশির উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ কমে যায়। তাঁর কথা বলার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছিল, জড়িয়ে যাচ্ছিল গলার স্বর। সেখান থেকে অনেকের সন্দেহ হয়, কোনও সমস্যা হচ্ছে অভিনেতার। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নূপুর অলঙ্কার জানিয়েছেন, কিছু দিন আগে টেলিফোনে অরুণের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে, অভিনেতার বাচনভঙ্গীতে অসংলগ্নতা লক্ষ্য করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন অরুণের কাছের মানুষের সঙ্গেও। তাঁরাই এর পরে অরুণের চিকিৎসার বন্দোবস্ত করেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রবীণ অভিনেতার মেয়ে ইতিশ্রীর কাছ থেকে তিনি এই বিরল অসুখের বিষয়ে জানতে পেরেছেন। তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা কেমন, কত দিন লাগবে সুস্থ হতে, সেই বিষয়ে যদিও এখনও বিশেষ কিছু জানা যায়নি।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Sathyaraj : করোনায় আক্রান্ত বাহুবলী, বর্তমানে সুস্থ অভিনেতা

করোনা আক্রান্ত বাহুবলীর কটাপ্পা ওরফে অভিনেতা সত্যরাজ। বাড়িতেই নিভৃতবাসে ছিলেন। কিন্তু আচমকা শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় তাঁর। তড়িঘড়ি চেন্নাইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সংবাদসংস্থা এএনআই এমনটাই জানিয়েছে।বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছেন অভিনেতা। কয়েক দিনের মধ্যেই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে তাঁকে এমনটাই জানা গেছে। সত্যরাজের এক ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ও খুব দ্রুত সেরে উঠছে। দুতিন দিনের মধ্যে ও বাড়ি ফিরতে পারবে। কিন্তু বাড়িতেও এক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ওকে নিভৃতবাসে থাকতে হতে পারে।বিগত কয়েকদিনে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। টলিউড, বলিউড থেকে শুরু করে দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির অনেকেরই কোভিড পজিটিভ ধরা পড়েছে। অভিনেতা মহেশ বাবু, পরিচালক প্রিয়দর্শন করোনায় আক্রান্ত।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
কলকাতা

Fake IPS: ২৯ বার হ্যান্ডসেট বদলেও শেষরক্ষা হল না

শহরে ফের একবার ভুয়ো আধিকারিক গ্রেপ্তার। নিজেকে আইপিএস অফিসার হিসেবে পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের কাজ করত বালির অঙ্কিত কুমার। পুলিশ সূত্রে খবর, বিভিন্ন লোককে মেসেজ করে সাইবার থানায় তাদের বিরুদ্ধে কেস আছে বলে জানাত। সে টাকার বিনিময়ে পুরো ব্যযপারটা মিটিয়ে দিতে পারে বলে ২০,০০০ টাকা থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত দাবি করত। এই কাজ করতে সে ব্যবহার করত কলকাতা পুলিশের লোগো, এমনকী, লোককে বিশ্বাস করাতে ব্যবহার করত ইন্টারনেট থেকে নেওয়া উচ্চপদস্থ আইপিএস অফিসারের ছবি।আরও পড়ুনঃ নতুন মিউজিক ভিডিওতে শাহির-হিনাদীর্ঘদিন ধরে অঙ্কিতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ কলকাতা পুলিশের কাছে জমা পড়ে। সেই অনুযায়ী পুলিশ তার গতিবিধির উপর নজর রেখেছিল। এদিকে, অঙ্কিত আগেই আঁচ করেছিল সে পুলিশের জালে ধরা পড়তে পারে। পুলিশ সূত্রে খবর, তাই একাধিকবার নিজের মোবাইল নম্বর ও ২৯ বার নিজের হ্যান্ডসেট বদল করে অঙ্কিত। তবে তাতেও শেষরক্ষা হল না। পরিবর্তে হাওড়ার বালি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশ। ধৃতকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হবে। তাকে নিজের হেপাজতে নিয়ে জেরার পরই প্রতারণার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।

আগস্ট ০৬, ২০২১
কলকাতা

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের নার্সদের

বৃহস্পতিবার দুপুরে হাওড়ার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখালেন নার্সিং কর্মীরা। পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে চরম অব্যাবস্থার অভিযোগ। পর্যাপ্ত সাফাই কর্মী ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর অভাবে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোগীর মলমূত্র-সহ বিছানা পরিষ্কার না হওয়ার অভিযোগ রোগীদের। এদিন দুপুরে ডিউটি শেষ করে হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন নার্সরা। মূলত পরিকাঠামোর অভাবেই এই কোভিড হাসপাতালে সাফাই সংক্রান্ত সমস্যার কারণেই বিক্ষোভ দেখালেন নার্সরা। তাঁদের অভিযোগ, ড্রপিং এরিয়া, যেখানে ডিউটি শেষে নার্সরা তাঁদের পার্সোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্ট কিট বা পিপিই কিট ছেড়ে রাখেন সেই এলাকা প্রত্যেক শিফটের পরে পরিষ্কার করার কথা থাকলেও তা করা হয় না। ফলে থেকে যায় সংক্রমণের আশঙ্কা। এছাড়াও হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাথরুমের জল ওয়ার্ডের ভিতরে ঢুকে পড়ছে। এগুলি পরিষ্কার হচ্ছে না। তার উপর হাসপাতালের রোগীদের জন্য নেই পর্যাপ্ত খাবার জল। এমনকী, কোনও রোগীর মৃত্যু হলে সেই দেহ পড়ে থাকছে শয্যায়। পাশে থাকা অন্য রোগীরা যার ফলে তীব্র সমস্যায় পড়ছেন বলে অভিযোগ। নার্সদের আরও অভিযোগ, হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো না-থাকাতেই এই নরকীয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তাঁদের দাবি, হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীর পাশাপাশি চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীও থাকা প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে এই কর্মচারী পর্যাপ্ত না থাকায় তৈরি হয়েছে সমস্যা। তাঁরা জানান, ২০০ জন রোগী পিছু ১২ ঘণ্টায় মাত্র এক জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী থাকছে। ফলে অপরিষ্কার হয়ে পড়ে থাকছে কোভিড ওয়ার্ড। হাসপাতালের এক নার্সের অভিযোগ, রোগীরা শয্যা থেকে পড়ে গেলে তাঁদের বেডে তোলার মতো লোক থাকছে না। অক্সিজেন দেওয়ার লোক নেই। চূড়ান্ত এক অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ। এছাড়াও রোগীর পরিবারে তাদের পেশেন্ট সংক্রান্ত খোঁজ খবর নেওয়ার জন্যে একটি ফোন নম্বর দেওয়া হলেও সেই ফোন নম্বরে ফোন এলে রোগীর সেবা করতে গিয়ে পরিজনদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার মত সুযোগ পাচ্ছেন না নার্সরা। ফলে রোগীর পরিজনরাও তাঁদের রোগীর খবর না পেয়ে অসহায় বোধ করছেন এবং অভিযোগও করছেন। হাসপাতালে চতুর্থ শ্রেণির কর্মী বা পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মী না থাকায় সমম্বয়ের অভাবে চিকিৎসা পরিষেবা দিতেও সমস্যা হচ্ছে বলে এদিন দাবিপত্রে জানান বিক্ষোভরত নার্সরা। এদিকে এই প্রসঙ্গে হাওড়া জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক জানান, স্বাস্থ্য আধিকারিকদের একটি দলকে বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সমস্যা থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এই কোভিড হাসপাতাল নিয়ে বারে বারেই নানান অভিযোগ তুলেছেন রোগীর পরিজনরা। এবারে পরিকাঠামোগত সমস্যা তুলে ধরে বিক্ষোভে সামিল হলেন নার্সরা। পরে কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে বিক্ষোভ উঠে যায়।

মে ০৬, ২০২১
দেশ

করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বিহারের প্রাক্তন ‘বাহুবলি’ সাংসদ সাহাবুদ্দিনের

দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ। ভোলবদল করে আরও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে ভাইরাসটি। এবার এই আণুবীক্ষণিক জীবের হামলায় প্রাণ হারালেন বিহারের প্রাক্তন বাহুবলি সাংসদ মহম্মদ সাহাবুদ্দিন।সূত্রের খবর, গত মঙ্গলবার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন সাহাবুদ্দিন। তারপর থেকে রাজধানী দিল্লির একটি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। তবে চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছিলেন না তিনি বলে হাসপাতাল জানিয়েছিল। অবশেষে চিকিৎসকদের চেষ্টা ব্যর্থ করে শনিবার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন লালু প্রসাদ যাদবের পার্টি রাষ্ট্রীয় জনতা দলের এই প্রাক্তন সাংসদ। উল্লেখ্য, রাজনীতিবিদের চাইতেও বাহুবলি হিসেবেই বেশি পরিচিত ছিলেন সাহাবুদ্দিন। বিহারের সিওয়ান জেলায় লালুপ্রসাদ যাদবের আমলে তাঁর দাপটে বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খেত বলে দাবি। বেশ কয়েকটি দুর্নীতি, খুন ও অপহরণের মামলা ছিল ওই প্রাক্তন সাংসদের নামে। বর্তমানে একাধিক মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে দিল্লির তিহার জেলে বন্দি ছিলেন তিনি। কিন্তু ওই হাই সিকিউরিটি কারগারেও থাবা বসিয়েছে করোনা। মারণ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন অনেক বন্দি। গত বুধবার সাহাবুদ্দিনের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য কেজরিওয়াল সরকারকে নির্দেশ দেয় দিল্লি হাইকোর্ট।

মে ০১, ২০২১
কলকাতা

বালিতে চলন্ত বাসে গুলি, নিরাপদে যাত্রীরা

অফিস টাইমে বাসে গুলি চালানোর অভিযোগ। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনা ঘটেছে বালিঘাট স্টেশনের কাছে। যদিও গুলিই চলেছে কি না তা নিশ্চিত নয়। এদিন সকালে নিশ্চিন্দার রাজচন্দ্রপুর থেকে এসি-২৩এ রূটের একটি বৈদ্যুতিক বাস করুণাময়ীর দিকে যাত্রা শুরু করে পৌনে ৯টা নাগাদ। বালিঘাট স্টেশনের কাছে হঠাৎই বিকট শব্দে চমকে ওঠেন বাসের যাত্রীরা। বাসটিও ব্রেক কষে দাঁড়িয়ে যায়। প্রথমে বাসের টায়ার বার্স্ট করেছে ভাবেন যাত্রীরা। তারপরেই নজরে পড়ে বাসের সামনের দিকের মেঝেতে ও দুই পাশের সিটে বসা যাত্রীদের গায়ে ও বাসের ভেতরে পড়ে রয়েছে জানলার ভাঙা ফাইবার কাচের টুকরো। আর দুদিকের জানলাতেই তৈরি হয়েছে বড় গর্ত। দেখেই বোঝা যাচ্ছে কাচ এফোঁড়-ওফোঁড় করে ভারি কিছু একটা বেরিয়ে গিয়েছে। হঠাৎই ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে একজন বলে ওঠেন বাসে গুলি চলেছে। কেউ বাস লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু কে এই কাজ করলো কেউ বুঝে উঠতে পারেননি। গুলির কথা শুনেই যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হুড়োহুড়ি করে অনেকেই বাস থেকে নেমে যেতে চান। কিন্তু তাঁদের নেমে যেতে বারন করেন ওই সরকারি বাসের চালক । গুলি চালনার ঘটনা আশঙ্কা করে ওই যাত্রীবোঝাই বাস নিয়ে তিনি সোজা চলে যান বালি থানায়। পুলিশ প্রথমেই বাসটিকে শিবপুর পুলিশ লাইনে পাঠিয়ে দেয় ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্যে। হাওড়া সিটি পুলিশের এক কর্তা বলেন, গুলি অথবা পাথর কি ছোঁড়া হয়েছিল তা স্পষ্ট নয়। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের খবর দেওয়া হয়েছে। আমরাও স্থানীয় স্তরে খোঁজ খবর চালাচ্ছি। এই ঘটনায় বাসটির চালকের দিকে থাকা অর্থাৎ ডান দিকের আপৎকালীন প্রস্থানের জানলার কাচের উপর দিকে একটি মাঝারি গর্ত তৈরি হয়েছে। ওই জানলার কোনাকুনি বাসের দরজার দিকে অর্থাৎ বাঁ দিকের জানলার কাচের নিচের দিকে আরেকটি ছোট গর্ত তৈরি হয়েছে। যা দেখে বোঝা যাচ্ছে যা কিছুই ছোঁড়া হোক না কেন, তা ডানদিকের জানলা ফুঁড়ে ঢুকে বাঁ দিকের জানলা ফুঁড়ে বেরিয়ে গিয়েছে। তবে পাথরে এমন হওয়ার সম্ভবনা কম বলেই মনে করছে পুলিশ। কারণ পাথরে কাচ ভাঙার পরে তা বাসের ভিতরে পড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু এদিন বাসের ভিতরে তেমন কিছুই পড়ে থাকতে দেখা যায়নি। বাসের চালকের আসনের পিছনে বসা এক যাত্রী গৌতম পাল বলেন, আমি চালকের পিছনে বসেছিলাম। বালিঘাটে লালবাড়ির সামনে যেতেই দেখি মাথার উপরের কাঁচ সশব্দে ভেঙে গেল। ফুটো হয়ে গেল কাঁচটা। উল্টোদিকের জানলার কাঁচও ফুটো হয়ে গেল। কী যেন একটা ছোড়া হল। মনে হল গুলি। খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।ওই বাসের কন্ডাক্টর শুভেন্দু শিকদার বলেন, অন্যান্য দিন লালবাড়ি কাটআউট স্টপেজে থামলেও এ দিন যাত্রী না থাকায় বাস দাঁড়ায়নি। ওই স্টপেজ থেকে কয়েক পা এগোনোর পরেই ঘটে ঘটনাটি। প্রায় ৪০টি সিটেই এ দিন যাত্রীরা বসে থাকায় তাঁরা প্রাণে বেঁচে যান। রাস্তার ঠিক যে জায়গায় ঘটনাটি ঘটেছে তার পাশে একটি ঝোপ রয়েছে। এদিন সেটি ঘিরে রাখে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দূরে ও কিছুটা উপর থেকে স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি চালানো হতে পারে। কিন্তু ওই বাসের উপর কে হামলা করবে তা স্পষ্ট নয় পুলিশের কাছে। এদিন পুলিশ বাসের যাত্রীদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করে। বাসের ভিতরে থাকা কোনও যাত্রীর সঙ্গে শত্রুতার জেরে কেউ এ কাজ করেছে কি না তা জানার চেষ্টা করা হয়। কারণ যেখানে ঘটনাটি ঘটে সেখানেই বালিঘাট রেল স্টেশন। সেখান থেকেও কেউ পাথর ছুঁড়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পুলিশের অনুমান, রেল লাইনের উপর থেকেই ২০০ মিটার দূরে থাকা বাসে গুলি চালানো বা কিছু ছোঁড়া হতে পারে। ঘটনার খবর পেয়েই বালির লালবাড়ির কাছে ছুটে যান হাওড়া সিটি পুলিশের এসিপি অমিত কুমার সহ পুলিশের পদস্থ কর্তারা। তাঁরা ফিতে দিয়ে এলাকা ঘিরে ফেলেন। স্থানীয় মানুষজনকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। তবে অস্বাভাবিক কোনও শব্দ শোনেননি বা কাউকে দেখনি বলেই জানান স্থানীয়রা।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
রাজ্য

পিকের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বৈশালী ডালমিয়া

বঙ্গ জননী কর্মসূচি নিয়ে বালি বিধানসভা এলাকার ১৬ জন প্রাক্তন কাউন্সিলরের সঙ্গে বুধবারে বেলুড় অগ্রসেন ভবনে বৈঠক করছিলেন পিকের টিম। সকাল এগারোটা নাগাদ বৈঠক শেষ হওয়ার সময় বালির প্রাক্তন তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি বিজয়লক্ষী রাও উপস্থিত হন। তিনি সেখানে প্রশ্ন তোলেন, বিধায়ককে বাদ দিয়ে কেন মিটিং করা হচ্ছে। কেন মিটিং সম্পর্কে জানানো হয়নি বিধায়ককে। এ বিষয়ে পিকের টিমের প্রতিনিধি ও উপস্থিত তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। এরপরেই দু পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পিকের টিমের সামনেই চলে বচসা। হাতাহাতি হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কয়েকজন প্রাক্তন কাউন্সিলর পরিস্থিতি সামাল দেন। গোটা ঘটনা টিম পিকে-র সামনে হলেও আশ্চর্যজনকভাবে তাঁরা নীরব ছিলেন বলেই অভিযোগ বৈশালী ডালমিয়ার। ফলে পিকে-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিধায়ক। টিম-পিকে আদৌ দলের ভাল করতে চান কিনা তা নিয়ে ঘনিষ্ট মহলে প্রশ্ন তোলেন বৈশালী। আরও পড়ুন ঃ কোচবিহারে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার তাকে না জানিয়ে কেন বৈঠক করা হচ্ছে, এটা জানতে চাওয়ায় বিজয়লক্ষী রাওকে তৃণমূল কর্মীরা মারধর করে বলে অভিযোগ। পালটা ক্ষোভ উগরে দেন বালির তৃণমূল নেতা তফজিল আহমেদ। তিনি বলেন, কোনও মারধরের ঘটনা ঘটেনি। বালির বিধায়ক ও ঘনিষ্ঠরা সুযোগ সুবিধা নেওয়ার জন্য এখানে এসেছেন। এদেরকে বহিষ্কার না করলে দলটাই থাকবে না। এই ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবা উচিত।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

শব্দবাজি ফাটাতে নিষেধ করায় আক্রান্ত পুলিশ , ধৃত ৫

আবাসনের বাসিন্দাদের শব্দবাজি ফাটাতে নিষেধ করেছিলেন কয়েকজন পুলিশকর্মী। তার পরিণাম হল ভয়ানক। এবার আবাসনের বাসিন্দাদের হাতেই মার খেতে পুলিশকে। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বালিতে। এই ঘটনায় ৭ জন আহত হয়েছেন। তার মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে সিসিটিভি-র ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে প্রচুর বাজি উদ্ধা্র করা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে শব্দবাজিও। আরও পড়ুন ঃ পুলিশ গার্ড অব অনার না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল পুলিশ সূত্রে খবর , হাইকোর্টের নির্দেশ , করোনা পরিস্থিতিতে কোনওরকম বাজি ফাটানো যাবে না। সুপ্রিম কোর্টও হাইকোর্টের এই নির্দেশ বহাল রেখেছে। সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে বেলুড়ের ওই আবাসনে বাজি ফাটানো হচ্ছিল বলে খবর পায় পুলিশ। বৃহস্পতি্বার রাত ৯টা নাগাদ আবাসনে হানা দেয় পুলিশ। অভিযোগ, এর পরই তাঁদের উপর চড়াও হন ওই আবাসনের বাসিন্দারা। পুলিশ কর্মীদের মারধরও করা হয়। ঘটনায় জখম হন ৭ পুলিশকর্মী। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ কর্মীদের উদ্ধার করে। আহতদের তড়িঘড়ি স্থানীয় টি এল জয়সওয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
বিনোদুনিয়া

মিঠুনের ছেলে ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর

সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তীর ছেলে মহাক্ষয় ওরফে মিমোর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, প্রতারণা এবং জোর করে গর্ভপাতের অভিযোগ করেছেন এক তরুণী। যোগিতা বালির বিরুদ্ধে নির্যাতিতাকে ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। মুম্বইয়ের ওশিওয়াড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতা তরুণী। এই তরুণী পেশায় মডেল। তার দাবি, ২০১৫ সালে মিমো তাঁকে বাড়িতে ডেকে পাঠায়। তিনিও মিঠুন পুত্রের ডাকে সাড়া দিয়ে বাড়িতে যান। অভিযোগ, মাদক মিশ্রিত ঠান্ডা পানীয় ওই তরুণীকে খেতে দেন মিমো। তিনি প্রায় অচৈতন্য হয়ে পড়েন। সেই সুযোগে মিমো তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করেন। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মিমো তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ তার। এরপর বছরচারেক পর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন ওই তরুণী। সেকথা মিমোকে জানালে তিনি বিয়ে করতে অস্বীকার করেন । আরও পড়ুনঃ কঙ্গনা রানাওয়াতের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ কোর্টের মিমো এরপর ওই তরুণীকে গর্ভপাতের জন্য চাপ দিলে সে তাতে রাজি হয়নি। অভিযোগ , এরপর তাকে না জানিয়ে ওষুধ খাইয়ে মিমো তার গর্ভপাত করান। এমনকী নির্যাতিতার আরও অভিযোগ, মিমোর মা যোগিতা বালিও তাঁকে হুমকি দেন। ইতিমধ্যে ২০১৮ সালে মহাক্ষয় ওরফে মিমো বিয়ে করেন। সেই সময় তিনি ধর্ষণের মামলা রুজু করার চেষ্টা করেন। তবে পুলিশ তাঁর অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে। এরপর দিল্লিতে চলে যান নির্যাতিতা। দিল্লির রোহিণী আদালত প্রাথমিক প্রমাণাদির ভিত্তিতে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেন।

অক্টোবর ১৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে নিয়ে বড় খবর বাংলাদেশ থেকে! আরও দুই মামলায় জামিন, তবে এখনই মুক্তি নয়

বাংলাদেশ হাই কোর্টের নির্দেশে আরও দুটি মামলায় জামিন পেলেন সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী। রবিবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ এই জামিন মঞ্জুর করে। চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য।আইনজীবী জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় পুলিশি কাজে বাধা এবং ভাঙচুরের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা হয়েছিল। সেই দুই মামলাতেই এ দিন জামিন পেয়েছেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। তবে এই জামিনের পরেও এখনই তাঁর জেলমুক্তি হচ্ছে না।চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে মোট ছটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তার মধ্যে চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম হত্যা মামলার বিচার চলছে ট্রাইব্যুনালে। রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় তাঁর জামিন এখনও স্থগিত রয়েছে।বাকি চারটি মামলার মধ্যে দুটি মামলায় ইতিমধ্যেই হাই কোর্ট জামিন দিয়েছে। অন্য দুটি মামলায় জামিনের শুনানির জন্য পরবর্তী দিন ধার্য হয়েছে। ফলে একাধিক মামলায় আইনি লড়াই এখনও চলছে।২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁর জামিনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেই সংঘর্ষে আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে পিটিয়ে এবং কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় নিহত আইনজীবীর বাবা জামাল উদ্দিন ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন।এর পাশাপাশি হত্যাচেষ্টা, হামলা, সরকারি কাজে বাধা, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের উপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগেও একাধিক মামলা হয়। সেই মামলাগুলির মধ্যেই কয়েকটিতে এখন আদালত থেকে জামিন মিলছে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের।চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারির ঘটনায় ভারতও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। দিল্লির তরফে বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছিল।২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। সেই সময় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গ্রেফতার হন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। পরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তন এসেছে।ভোটের পর বিএনপি সরকার গঠন করেছে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। নতুন সরকারের সময়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগোচ্ছে বলে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের একাধিক মামলায় জামিনের বিষয়টিও নতুন করে নজরে এসেছে।তবে দুই মামলায় জামিন পেলেও এখনও তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য মামলার আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। ফলে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস কবে জেল থেকে মুক্তি পাবেন, তা নির্ভর করছে বাকি মামলাগুলির আদালত-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের উপর।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
বিদেশ

নেপালে বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য আচমকা কড়া নিয়ম! বন্যাবিধ্বস্ত এলাকায় ঢুকতে লাগবে সরকারি অনুমতি

বন্যাবিধ্বস্ত নেপালে বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে বলেন্দ্র শাহর সরকার। সরকারি অনুমতি ছাড়া বন্যাকবলিত এলাকায় গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে পারবেন না বিদেশি সাংবাদিকেরা। সেখানে যেতে হলে সরকারি অনুমতিপত্রের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নথিও সঙ্গে রাখতে হবে।নেপালের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটেকোশি এবং ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী বন্যাবিধ্বস্ত এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে বিদেশি সাংবাদিকদের আগে সরকারি দপ্তর থেকে অনুমোদন নিতে হবে। নির্দিষ্ট সরকারি পোর্টালের মাধ্যমে সেই আবেদন করতে হবে।আবেদনের সময় সাংবাদিকদের বৈধ ভিসা বা প্রবেশের অনুমতিপত্র-সহ পাসপোর্টের অনুলিপি জমা দিতে হবে। পাশাপাশি যে সংবাদমাধ্যমে তিনি কাজ করেন, সেই সংস্থার সুপারিশপত্রও প্রয়োজন হবে। যে দেশ থেকে সাংবাদিক নেপালে এসেছেন, সেই দেশের দূতাবাস বা বিদেশ মন্ত্রকের সুপারিশপত্রও জমা দিতে হবে। এর সঙ্গে সাংবাদিক হিসাবে নিজের পরিচয়পত্রও দেখাতে হবে।নেপাল প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আবেদন খতিয়ে দেখার পর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অনুমোদন দেওয়া হবে। সেই অনুমোদনের মেয়াদ থাকবে ১৫ দিন। বিদেশি সাংবাদিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য একটি বিশেষ সাহায্যকেন্দ্রও চালু রাখার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।তবে আচমকা বিদেশি সাংবাদিকদের নিয়ে এত কড়া নিয়ম কেন জারি করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নেপাল সরকারের তরফে এর নির্দিষ্ট কোনও কারণ জানানো হয়নি। ফলে নতুন নির্দেশকে ঘিরে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে চিনকে ঘিরে। কারণ, যে এলাকাগুলিতে বন্যার খবর সংগ্রহে বিধিনিষেধ জারি হয়েছে, তার একটি বড় অংশ উত্তর নেপালের তিব্বত সীমান্তের কাছে। এই কারণে নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কা থেকেই বিদেশি সাংবাদিকদের গতিবিধির উপর নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে চিনের চাপে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এমন কোনও সরকারি নিশ্চিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি।এর আগে বন্যাবিধ্বস্ত ওই এলাকায় বিদেশি সাহায্য নিয়েও নেপাল সরকার কড়া অবস্থান নিয়েছিল বলে জানা যায়। পরে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়। এবার বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য নতুন নিয়ম জারি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে।গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ধসের পর ত্রিশূলী নদীতে ভয়াবহ হড়পা বান নামে বলে জানা গিয়েছে। তার জেরে উত্তর নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকা ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যার জেরে বহু মানুষ নিখোঁজ এবং বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে দাবি করা হয়েছে।আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৩৪৪ এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৫ হাজারের বেশি। নিখোঁজদের মধ্যে ৫৮৯ জন বিদেশি নাগরিক বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে উদ্ধারকাজ ও নিখোঁজদের সন্ধান চলতে থাকায় এই সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ভয়াবহতার মধ্যেই বিদেশি সাংবাদিকদের প্রবেশ নিয়ে নেপাল সরকারের নতুন নির্দেশিকা তাই নতুন করে নজর কেড়েছে। নিরাপত্তার কারণেই এই সিদ্ধান্ত, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও বিষয় রয়েছে, তা নিয়ে এখন জল্পনা চলছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

মোদীর শোকবার্তার পরই কংগ্রেসের আক্রমণ! সত্য নিকেতন বাড়ি ধস নিয়ে দিল্লিতে চাপানউতোর

দিল্লির সত্য নিকেতনে ছতলা একটি বাড়ি ভেঙে পড়ে এখনও পর্যন্ত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ছজনকে। তবে ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও বহু মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকতে পারেন। তবে এই সংখ্যা এখনও নিশ্চিত নয়। উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শোকবার্তায় তিনি জানান, দিল্লির সত্য নিকেতনে ভবন ধসে পড়ার ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। যাঁরা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করার পাশাপাশি উদ্ধার ও ত্রাণের কাজে যুক্ত আধিকারিকদের প্রশংসাও করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে কাজ করছে।এই দুর্ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছে কংগ্রেসও। দলের নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবন অত্যন্ত মূল্যবান। যে কোনও পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনও রকম গাফিলতি বরদাস্ত করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে এই ঘটনাকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের ঘটনা এড়ানো সম্ভব ছিল। বাড়ি ধসের ঘটনা নিয়ে প্রশাসনিক গাফিলতি ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস।দিল্লির বাড়ি ধসের ঘটনায় শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। তিনি গভীর শোক প্রকাশ করে মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন রাষ্ট্রপতি।অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। দিল্লি পৌরনিগমের বাইরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, এই দুর্ঘটনার দায় নিয়ে পৌরনিগমের কমিশনারকে পদত্যাগ করতে হবে।বিরোধীদের অভিযোগ, পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা শুরু হওয়ার আগেই অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যদের আন্দোলনে নামানো হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও স্পষ্ট নয়।বাড়ি ধসের ঘটনায় মৃতদের মধ্যে শিক্ষার্থীও রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, বাড়িটির নির্মাণ এবং দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। ঠিক কী কারণে ছতলা বাড়িটি ভেঙে পড়ল, তা জানতে তদন্তের দিকেও নজর রয়েছে।এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ ধ্বংসস্তূপের নীচে আর কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিয়ে। উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজ চালাচ্ছে। উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়বে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। ঘটনাটি ঘিরে সত্য নিকেতন এলাকায় শোকের পাশাপাশি তৈরি হয়েছে তীব্র উদ্বেগ।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

মিরিকে পাহাড় ধসের পর ভয়াবহ আশঙ্কা! নদী আটকে তৈরি বিশাল জলাধার, ঘরছাড়া ৩৩ পরিবার

পাহাড় জুড়ে বিপদের আশঙ্কা আরও বাড়ল দার্জিলিংয়ের মিরিকে। শনিবার থেকে মিরিক বস্তি-দুই এলাকার রংভং নদীর কাছে শুরু হয়েছে ভূমিধস। পাহাড় থেকে বিপুল পরিমাণ মাটি ও পাথর নেমে নদীতে পড়ায় তার স্বাভাবিক গতিপথ আটকে গিয়েছে। এর ফলে নদীর জল জমে তৈরি হয়েছে বিশাল কৃত্রিম হ্রদের মতো পরিস্থিতি।এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, নতুন করে ধস নেমে যদি কোনও ভাবে ওই জলাধারের অংশ ভেঙে যায়, তা হলে আচমকা হড়পা বান নেমে নীচের এলাকায় বিপদ তৈরি হতে পারে। সেই আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই নদী লাগোয়া এলাকা থেকে পরিবারগুলিকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা জানিয়েছেন, ভূমিধসের খবর পাওয়ার পর দ্রুত উদ্ধার ও পরিষ্কার করার কাজ শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকও করা হয়েছে।মিরিকের পাহিলাগাঁও স্কুলদারা-দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের লাবারবোটার লোয়ার পালজারগাঁও এলাকায় পরিস্থিতি সবচেয়ে উদ্বেগজনক বলে জানা গিয়েছে। সেখানে প্রায় ৩৩টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাহাড় থেকে নেমে আসা মাটি ও পাথরের বিশাল স্তূপ রংভং নদীতে গিয়ে পড়েছে। ফলে নদীর জল স্বাভাবিক ভাবে নীচে নামতে পারছে না।জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, হ্রদের কাছাকাছি থাকা ৩৩টি পরিবারকে ইতিমধ্যেই নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের স্থানীয় লেপচা কমিউনিটি হলে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ওই এলাকায় রাজ্য ও কেন্দ্রের বিপর্যয় মোকাবিলা দল পাঠানো হয়েছে।ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর বিশেষ দল। উদ্ধার ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের কাজে অন্যান্য দলও নামানো হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকেও তলব করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না।নদী বিশেষজ্ঞ এবং ইঞ্জিনিয়ারদের একটি দলও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। কৃত্রিম হ্রদের মধ্যে জমে থাকা বিপুল পরিমাণ জল কী ভাবে নিরাপদে বের করে দেওয়া যায়, তা খতিয়ে দেখছেন তাঁরা। জলরাশি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব কি না, সেই বিষয়টিও পরীক্ষা করা হচ্ছে।রংভং নদী পাহাড় থেকে নেমে সমতলে বালাসন নদীর সঙ্গে মিশেছে। ফলে কৃত্রিম হ্রদের কোনও অংশ আচমকা ভেঙে গেলে নীচের বিস্তীর্ণ এলাকায় তার প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রশাসনের আধিকারিকেরা। তবে এই মুহূর্তে হ্রদ ভেঙে বড় বিপর্যয় হবেই, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই।দার্জিলিংয়ের সাংসদও জানিয়েছেন, কৃত্রিম হ্রদ ভেঙে বিপর্যয় ঘটবে কি না, এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। কিন্তু ঝুঁকি নেওয়া হচ্ছে না। আগাম সতর্কতা হিসাবে নদী সংলগ্ন বিপজ্জনক এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে মিরিকে ভূমিধস এবং রংভং নদীর গতিপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের নজর এখন কৃত্রিম হ্রদের জলস্তর, নতুন করে ধস নামার সম্ভাবনা এবং নীচের এলাকার নিরাপত্তার দিকে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

তারাপীঠে ভক্তদের জন্য সুখবর! পাঁচশো টাকার কুপন নয়, এবার মোবাইলেই মিলবে দর্শনের টিকিট

তারাপীঠ মন্দিরে দর্শনের নিয়মে বড় বদল। রবিবার থেকেই বন্ধ হয়ে গেল কাগুজে ভিআইপি কুপন। তার বদলে চালু হল ডিজিটাল টিকিটের ব্যবস্থা। নির্দিষ্ট মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট বুক করে ভক্তেরা এবার মা তারার ভিআইপি দর্শন করতে পারবেন।এতদিন তারাপীঠ মন্দিরে ভিআইপি দর্শনের জন্য পাঁচশো টাকার কাগুজে কুপন সংগ্রহ করতে হত। সেই কুপন নিয়ে ভক্তদের নির্দিষ্ট লাইনে দাঁড়াতে হত। এবার সেই ব্যবস্থায় বদল এনে পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।আসন্ন কৌশিকী অমাবস্যার কথা মাথায় রেখেই এই নতুন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। প্রশাসন এবং মন্দির কমিটির বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ভক্তদের সুবিধার জন্য কাগুজে কুপনের বদলে অনলাইনে টিকিট বুকিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।প্রথম পর্যায়ে পরীক্ষামূলক ভাবে পাঁচশো ভক্তের জন্য অনলাইনে ভিআইপি টিকিট বুকিংয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ভক্তদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে নির্দিষ্ট সময় বেছে নিয়ে টিকিট কাটার ব্যবস্থাও চালু করা হবে বলে জানা গিয়েছে।মন্দির কর্তৃপক্ষের আশা, ডিজিটাল ব্যবস্থায় কাগুজে কুপনের ঝামেলা কমবে। একই সঙ্গে ভিআইপি দর্শনের ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছতা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখা সম্ভব হবে। রবিবার থেকেই নতুন পরিষেবা চালু হওয়ায় ভক্তদের মধ্যেও উৎসাহ দেখা গিয়েছে।কৌশিকী অমাবস্যাকে কেন্দ্র করে তারাপীঠে প্রতি বছরই বিপুল সংখ্যক ভক্তের সমাগম হয়। সেই ভিড় সামলানো এবং দর্শনের ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল করতেই এবার নতুন পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে।এক সেবাইত জানিয়েছেন, সকলের স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। তাঁর কথায়, এর ফলে তীর্থযাত্রীদের সুবিধা হবে। কৌশিকী অমাবস্যার দিন একটি বিনামূল্যের লাইন থাকবে এবং অন্য একটি লাইনে টাকা দিয়ে দর্শনের ব্যবস্থা থাকবে।ওই সেবাইতের আরও দাবি, কৌশিকী অমাবস্যার দিন কোনও সেবাইত, মন্ত্রী বা আমলাও গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন না। ফলে বিশেষ দিনে ভক্তদের দর্শন ব্যবস্থায় যাতে কোনও বৈষম্য না থাকে, সে দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।সব মিলিয়ে কৌশিকী অমাবস্যার আগে তারাপীঠ মন্দিরে দর্শন ব্যবস্থায় এই পরিবর্তনকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। এখন নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থা কতটা সফল হয় এবং ভক্তদের কতটা সুবিধা হয়, সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে রবিবারের দুপুরে বিপর্যয়! মুহূর্তে ভেঙে পড়ল ছয়তলা বাড়ি, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার

দিল্লির সত্য নিকেতনে রবিবার দুপুরে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে একটি ছয়তলা বাড়ি। বাড়িটি পিজি আবাসন হিসেবে ব্যবহার করা হত বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার সময় সেখানে বহু মানুষ ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি। ফলে ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও অনেকের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।দুপুর দেড়টা নাগাদ আচমকাই ভেঙে পড়ে বাড়িটি। মুহূর্তের মধ্যে গোটা এলাকা ধুলোয় ঢেকে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। অন্তত ১২টি দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বলে জানা গিয়েছে। ধ্বংসস্তূপ সরানোর জন্য এক্সকাভেটরও নামানো হয়েছে। আরও ভারী যন্ত্রপাতি আনা হচ্ছে।উদ্ধার হওয়া মানুষের সংখ্যা নিয়ে অবশ্য প্রশাসনের বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। সরকারি এক প্রতিনিধির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ছজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য দিকে পুলিশের তরফে তিন জনকে উদ্ধারের কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে ঠিক কত জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরও কত জন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে রয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।সত্য নিকেতন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসের কাছে অবস্থিত। এলাকায় বহু পড়ুয়া থাকেন। রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় ওই পিজিতে অন্য দিনের তুলনায় বেশি পড়ুয়া ছিলেন বলে স্থানীয়দের দাবি। এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, দুর্ঘটনার সময় বাড়িটির ভিতরে প্রায় ৫০ জন থাকতে পারেন। যদিও এই সংখ্যা প্রশাসনের তরফে এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকাজে হাত লাগান। উদ্ধারকারী দল পৌঁছনোর আগেই তাঁরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ভিতরে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজ শুরু করেন। ঘটনাস্থলে থাকা এক পড়ুয়ার দাবি, ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে সাহায্যের জন্য চিৎকারও শোনা গিয়েছে।ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক অনিল শর্মা। তাঁর দাবি, ধ্বংসস্তূপের ভিতরে এখনও কয়েক জন আটকে থাকতে পারেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ ফোন করে সাহায্য চেয়েছেন বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে। আটকে থাকা প্রত্যেককে দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে পাশের বাড়িটিও খালি করে দেওয়া হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে কেউ আটকে থাকলে তাঁদের নিরাপদে বের করে আনাই এখন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।তবে ঠিক কী কারণে ছয়তলা বাড়িটি আচমকাই ভেঙে পড়ল, তা এখনও জানা যায়নি। বাড়িটির কাঠামোগত কোনও সমস্যা ছিল কি না, নির্মাণে কোনও ত্রুটি হয়েছিল কি না, নাকি অন্য কোনও কারণে এই দুর্ঘটনাতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই মুহূর্তে সত্য নিকেতনে উদ্ধারকাজই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও কেউ আটকে রয়েছেন কি না এবং তাঁদের কত দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হয়, এখন সেদিকেই নজর প্রশাসনের।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

কাদের ফেরাবে তৃণমূল, কাদের নয়? কুণালের মন্তব্যে প্রকাশ্যে এল দলের অবস্থান

বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনা ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের মন্তব্য ঘিরে আরও জোরাল হয়েছে দলত্যাগী বিধায়ক ও সাংসদদের ঘরে ফেরার জল্পনা। তাঁর দাবি, তৃণমূল ছেড়ে যাওয়া অনেক বিধায়ক এবং সাংসদ এখনও দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে কুণাল বলেন, দল ছেড়ে যাওয়া সকলেই একই রকম নন। তাঁদের মধ্যে অনেকে এখনও যোগাযোগ রাখছেন। কয়েক জন বিধায়ক ও সাংসদ বিভিন্ন কারণে দল ছেড়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।কুণালের দাবি, বিধায়কদের মধ্যে কয়েক জন দুর্নীতি বা নানা অভিযোগ আড়াল করতে দল ছেড়েছেন। আবার কেউ পুরনো মামলার কারণে ভয় পেয়েছেন। কয়েক জনের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মামলা করে হয়রানির হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। সেই কারণেও অনেকে দল ছেড়েছেন বলে জানান কুণাল।আরও দাবি, দল ছেড়ে যাওয়া কয়েক জনের সঙ্গে তৃণমূলের এখনও নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ প্রকাশ্যেও তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে দেখা করছেন। তবে সবাইকে এখনই প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না বলে জানান তিনি।কুণালের ব্যাখ্যা, দলত্যাগী কোনও বিধায়ককে প্রকাশ্যে পাশে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করানোর পর তাঁর এলাকায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা তৈরি হলে তৃণমূলের পক্ষে নিয়মিত নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ বর্তমানে বিজেপির কথা শুনছে। সাংসদদের ক্ষেত্রেও একই পরিস্থিতি রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।কুণাল আরও বলেন, দলত্যাগী কয়েক জন এখনও অন্য দলে থাকলেও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা তৃণমূলের পক্ষে সুবিধাজনক। কারণ, তাঁদের মাধ্যমে সেখানকার নানা খবরও পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।তবে সব নেতার জন্য তৃণমূলের দরজা খোলা নয় বলেও স্পষ্ট করে দেন কুণাল। কারও নাম না করে তিনি বলেন, বিশেষ কয়েক জন এমন কাজ করেছেন, যাঁদের আর দলে ফেরানোর প্রশ্ন নেই। তাঁরা কালীঘাটের আশপাশে এলে দলের কর্মী-সমর্থকেরা তাঁদের গুড়-বাতাসা দিয়ে আপ্যায়ন করবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।কুণালের এই মন্তব্যে তৃণমূলের প্রাক্তন নেতা অনুব্রত মণ্ডলের পুরনো গুড়-বাতাসা মন্তব্যের প্রসঙ্গও সামনে এসেছে। ফলে তাঁর বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এ দিকে কুণালের মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, কুণাল ঘোষ প্রায়ই বিতর্কিত মন্তব্য করে সংবাদমাধ্যম ও সমাজমাধ্যমে আলোচনায় থাকার চেষ্টা করেন। উল্টে কুণালদের সঙ্গে থাকা অনেকেই তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলেও পাল্টা দাবি করেন তিনি।ফলে এক দিকে কুণাল ঘোষের দলত্যাগী বিধায়ক ও সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগের দাবি, অন্য দিকে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্টা বক্তব্যদুই মন্তব্য ঘিরেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সত্যিই দল ছেড়ে যাওয়া কোনও বিধায়ক বা সাংসদ তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন কি না, এখন সেই প্রশ্নই সামনে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬
উৎসব

ন্যাচারাল সিটিতে সাবেকিয়ানার আবাহন, মহিলা পুরোহিতের পৌরোহিত্যে দুর্গাপুজোর অভিনব উদ্যোগ

বর্ধমান: বহুতলের আধুনিক জীবনযাত্রার মাঝেও শিকড়ের টান অমলিন। শহুরে ব্যস্ততার আবরণ সরিয়ে বাংলার চিরন্তন ঐতিহ্য, সাবেকিয়ানা এবং উৎসবের আবেগকে ছুঁয়ে দেখতে এবার অন্যরকম উদ্যোগ নিয়েছে বর্ধমানের বিবেকানন্দ কলেজ রোডের ন্যাচারাল সিটি আবাসন। ২০২৬ সালে আবাসনের একাধিক পুজোর বদলে সকলকে এক ছাতার তলায় এনে আয়োজিত হচ্ছে একটি মাত্র সর্বজনীন দুর্গাপুজো। আর সেই পুজোর মূল ভাবনা সাবেকিয়ানা।এবার ন্যাচারাল সিটি সার্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির পুজো পা দিচ্ছে অষ্টম বর্ষে। আনুমানিক ৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বাজেটের এই পুজোয় আবাসনের প্রায় ২২০টি পরিবার সরাসরি অংশগ্রহণ করবেন। তবে এই পুজো শুধুমাত্র দেবীর আরাধনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রয়াস, সম্প্রীতির বার্তা এবং নারীশক্তির উদযাপন।সাবেকি জমিদারবাড়ির আবহে দেবীর আরাধনাএবারের পুজোর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ গ্রামীণ বাংলার জমিদারবাড়ির সাবেকি দুর্গাপুজোর আদলে আয়োজন। আধুনিক আবাসনের পরিসরেই তৈরি হবে সেই চেনা আবহযেখানে পুজোর আড়ম্বরের চেয়ে গুরুত্ব পাবে রীতি, ঐতিহ্য ও আবেগ।সনাতন রীতিনীতি মেনে হবে দেবীর আরাধনা। প্রতিমাতেও থাকবে সাবেকিয়ানার ছোঁয়া। সাবেকি মূর্তি এবং ডাকের সাজে সেজে উঠবেন মা দুর্গা। আধুনিকতার ঝলমক নয়, বরং বাংলার চিরপরিচিত পুজোর স্মৃতি ও নস্টালজিয়াকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা থাকবে গোটা আয়োজনজুড়ে।তবে এবারের পুজোর সবচেয়ে অভিনব দিক নিঃসন্দেহে মহিলা পুরোহিতদের পৌরোহিত্য। বর্ধমান শহরে মহিলা পুরোহিতদের দিয়ে দুর্গাপুজো পরিচালনার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমী। পুজো কমিটির ভাবনা নারী শক্তির উদয় হোক। পুরুষতান্ত্রিকতার প্রচলিত ধারণাকে পাশে সরিয়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানেও নারীর সমান অধিকার ও সক্ষমতার বার্তা পৌঁছে দিতে চায় কমিটি।বহুতলে থাকলেও নজর সবসময় মাটির দিকেশারদ পত্রিকা উপ-কমিটির কনভেনর সুদীপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার মেলবন্ধনই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা আধুনিক নিশ্চয়ই হয়েছি, কিন্তু ঐতিহ্য বা সাবেকিয়ানা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারি না। আমরা যতই বহুতলে থাকি না কেন, আমাদের নজর থাকে সবসময় মাটির দিকে।মহিলা পুরোহিতদের পৌরোহিত্য প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, পুজো মানেই পুরুষ পুরোহিতএই পুরুষতান্ত্রিক ধারণার বিরুদ্ধে একটা বার্তা দিতে চাই আমরা। মহিলারাও পারেন, এই স্পিরিটটাকে সামনে আনতেই এবার মহিলা পুরোহিতদের দিয়ে পুজো করানোর সিদ্ধান্ত।শুধু পুরোহিতের ক্ষেত্রেই নয়, পুজোর আয়োজক কমিটিতেও রয়েছে মহিলাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। আবাসনের মহিলাদের নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে পুজো কমিটি। অর্থাৎ দেবীর আরাধনার পাশাপাশি বাস্তবেও নারীশক্তির উত্থানকে সামনে আনতে চাইছে ন্যাচারাল সিটি।এক আবাসন, এক পুজোঐক্যের নতুন বার্তাঅন্যান্য বছর ন্যাচারাল সিটি আবাসনে একাধিক দুর্গাপুজোর আয়োজন হলেও ২০২৬ সালে সেই ছবি বদলেছে। এবার সমস্ত বিভাজন ভুলে আবাসনের পরিবারগুলিকে একত্রিত করে একটি মাত্র সর্বজনীন দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের মধ্যেও রয়েছে সাবেকিয়ানার মূল বার্তাবৈচিত্র্যের মধ্যে একতা। ভিন্ন মত, ভিন্ন পছন্দ কিংবা ভিন্ন পারিবারিক পরিসরকে অতিক্রম করে উৎসবের আনন্দে সবাইকে একত্রিত করাই এই পুজোর অন্যতম লক্ষ্য।মিডিয়া কমিটির সেক্রেটারি সন্দীপন ঘোষ জনতার কথাকে জানান, এবারের পুজোর থিম সাবেকিয়ানা, যার মূল বার্তা বৈচিত্র্যের মধ্যে একতা। তাঁর কথায়, পুরোপুরি সনাতনী রীতিনীতি মেনে সাবেকি প্রতিমা এবং ডাকের সাজে সাজবে মা দুর্গা।তিনি জানান, পুজোর আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে পঞ্চমী থেকে। পুজোর প্রতিটি দিনই আবাসিকদের জন্য থাকবে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন। সন্ধ্যা নামলেই আবাসন চত্বর হয়ে উঠবে নাচ, গান, নাটক-সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মঞ্চ। আবাসনের বাসিন্দারাই এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। ফলে উৎসবের আনন্দ যেমন থাকবে, তেমনই আবাসিকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্প্রীতির বন্ধনও আরও দৃঢ় হবে।উৎসবের মধ্যে পুজো নয়, পুজোর মধ্যে উৎসবএই পুজোর সঙ্গে প্রকাশিত হতে চলেছে একটি শারদ পত্রিকাও। নাম অর্ঘ। আবাসনের বাসিন্দাদের লেখা নিয়ে প্রকাশিত হবে এই পুস্তিকা। তাঁদের ভাবনা, লেখনী, স্মৃতি এবং অনুভূতির মধ্য দিয়ে পুজোর আবহ আরও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।পুজো কমিটির বক্তব্যে উঠে এসেছে একটি সুন্দর দর্শন উৎসবের মধ্যে পুজো নয়, পুজোর মধ্যে উৎসবকে খুঁজে নেওয়া। অর্থাৎ দেবীর আরাধনাকে কেন্দ্র করে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক, স্মৃতি, সংস্কৃতি, আনন্দ এবং সম্মিলিত অংশগ্রহণকেই উৎসবের আসল সার্থকতা হিসেবে দেখতে চাইছে কমিটি।৪ সেপ্টেম্বর খুঁটিপুজোয় শুভ সূচনাআগামী শারদোৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে ১৫ আগস্ট ২০২৬ থেকেই। আর পুজোর প্রারম্ভিক সূচনা হিসেবে ৪ সেপ্টেম্বর, জন্মাষ্টমীর দিন অনুষ্ঠিত হয়েছে খুঁটিপুজো। সেই থেকেই ধীরে ধীরে সেজে উঠছে ন্যাচারাল সিটি আবাসন।পুজো কমিটির সম্পাদক মলয় কুমার রায়, সচিব আরিজিত দত্ত এবং কনভেনার অনিন্দিতা ব্যানার্জি দত্ত-সহ কমিটির সদস্যরা ইতিমধ্যেই প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। প্রায় ২২০টি পরিবারের সম্মিলিত অংশগ্রহণে এবারের পুজো যে শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং একটি বৃহৎ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনক্ষেত্রে পরিণত হতে চলেছে, তার আভাস মিলছে প্রস্তুতির শুরু থেকেই।আধুনিক বহুতলের আকাশছোঁয়া জীবনযাত্রার মধ্যেও মাটির গন্ধ, পুরনো দিনের স্মৃতি আর বাংলার চিরচেনা পুজোর আবেগকে ফিরিয়ে আনার এই প্রয়াস তাই নিছক একটি থিমের আয়োজন নয়। সাবেকিয়ানার হাত ধরে ন্যাচারাল সিটি যেন খুঁজে নিতে চাইছে তার শিকড়কেআর সেই শিকড়ের সঙ্গে জুড়ে দিতে চাইছে আগামী প্রজন্মকে।নারীর পৌরোহিত্য, সাবেকি প্রতিমা, ডাকের সাজ, জমিদারবাড়ির পুজোর আবহ এবং ২২০ পরিবারের সম্মিলিত অংশগ্রহণসব মিলিয়ে বর্ধমানের শারদোৎসবের মানচিত্রে এবার আলাদা করে নজর কাড়তে চলেছে ন্যাচারাল সিটির এই সাবেকিয়ানার দুর্গাপুজো।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal